1. admin@dailyteligraf.com : admin :
বুধবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
চট্রগ্রামে এবার ফুসফুসের বিভিন্ন রোগ নির্ণয় পরীক্ষা হবে এপিক হেলথ কেয়ার সেন্টারে সোনারগাঁও পৌর আ’লীগের কর্মী সম্মেলনে কবির হোসেনের বিশাল শোডাউনে যোগদান সোনারগাঁও পৌর আ’লীগের কর্মী সম্মেলনে আসাদুল ইসলাম আসাদ দৃষ্টিনন্দন শোডাউনে যোগদান সোনারগাঁয়ে যমুনা ব্যাংক লিমিটেড উপশাখার শুভ উদ্বোধন সোনারগাঁয়ে সন্ত্রাসীদের হাত থেকে যুবককে বাচাঁতে গিয়ে হামলার শিকার হলেন ব্যবসায়ী বান্দরবান পার্বত্য জেলার শ্রেষ্ঠ থানা নির্বাচিত লামা থানা চট্টগ্রামমে সাড়ে ৯ কোটি টাকা পেলেন ৪৪ ভূমি মালিক চট্টগ্রাম বিএনপির বিক্ষোভ মিছিল থেকে পুলিশের সঙ্গে বিএনপির সংঘর্ষ, আটক ২০ চট্টগ্রাম বন্দরে যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনীর যুদ্ধজাহাজ নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন এডভোকেট মো: ফিরোজ মিয়া

গাজীপুরে অন্ধ জোনাকির চোখের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন, সাদ্দাম হোসেন অনন্ত।

  • আপডেট সময় : বুধবার, ১২ জানুয়ারি, ২০২২
  • ২৬৪ বার পঠিত

জাহিদ হাসান জিহাদঃ  জম্মের পর থেকে মায়াবী সাত রং রঙিন পৃথিবীর আলো ও মা বাবার আদর মাখা মুখ টুকু দেখা হয়নি। এ সময়ে তাঁর নতুন বই নিয়ে খেলা করা কথা ছিল।চোখে আলো না থাকায় কেড়ে নিয়েছে তাঁর সব আনন্দ-উল্লাস। ভূমিষ্ট হওয়ার পর পৃথিবীর আলাে দেখেনি সে। শিশুটি চোখের আলো ফিরিয়ে এনে স্বাভাবিক জীবন পরিচালনা দায়িত্ব নিয়েছে মানবতার নিবেদিত প্রাণ তরুণ প্রজন্মের একজন যুবক সকলের পরিচিত মুখ, সাদ্দাম হোসেন (অনন্ত) জোনাকি গাজীপুরের শ্রীপুর উজিলাবর এলাকার অন্ধ জাকির হােসেন মেয়ে। শুধু জোনাকি নয় একই পরিবারে রয়েছে আরও ছয়জন জন্মা গত অন্ধ । সাতজন অন্ধের দেখভাল করেন জোনাকির বৃদ্ধ দাদি রাশিদা বেগম।

শ্রীপুরের জৈনাবাজার এলাকার হাজী বেলাল হোসেন ছেলে পুষ্পদম রিসোর্টের মালিক সফল ব্যবসায়ী মাে. সাদ্দাম হােসেন অনন্ত। জোনাকির বাবা জানান, অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়িছেন সাদ্দাম হােসেন অনন্ত। তিনি দীর্ঘদিন ধরে আমাদের পরিবারকে সহায়তা করে আসছে। এখন জোনাকির চোখের চিকিৎসার ব্যবস্থা করছেন। মেয়ের চোখের আলাে ফিরিয়ে দিতে সহায়তা করছেন তিনি।আমি চোখে দেখতে পারিনি আমার মেয়ে চোখে দেখতে পারবে।আমি আমার মেয়ের চোখ দিয়ে এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে পারব।আমি সাদ্দাম ভাইয়ের প্রতি কৃতজ্ঞ।আমি মন থেকে দোয়া করি উনি যেন সারাজীবন মানুষ সেবা করতে পারে।

জোনাকি বলেন,আমি অন্ধ হওয়ার কারণে মা আমাকে ছেড়ে চলে গেছে।আমার অনেক ইচ্ছে করে এই পৃথিবী আলো আমি দেখি,আমার মা-বাবা মুখটি আমি দেখি।

সাদ্দাম হোসেন অনন্ত বলেন,ডাক্তার বলেন চোখে লেন্স লাগালে জোনাকি দেখতে পারবে ইনশাআল্লাহ।১৫জানুয়ারি তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হবে পরদিন তার চোখের অপারেশন হবে। আমি আমার সাধ্যমত চেষ্টা করবো। আপনারা সকলে জোনাকির জন্য দোয়া করবেন। যেন চোখের আলো ফিরে পেয়ে তাঁর পরিবারের প্রতিটি সদস্যের চোখ আলোকিত করতে পারে। বড় হয়ে যেন পরিবারের দায়-দায়িত্ব নিতে পারে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১  ডেইলি টেলিগ্রাফ
Theme Customized By Theme Park BD