1. admin@dailyteligraf.com : admin :
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পেট ব্যথা হলেও সিঙ্গাপুর যাওয়া এখন ফ্যাশন: ভূমিমন্ত্রী গাজীপুর টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির অনুমোদন গাজীপুর পুবাইলে আওয়ামীলীগ থেকে থানা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মিনহাজ জনসভায় আ.লীগ সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে না: হুইপ স্বপন আয়কর সেবা মাসে চট্টগ্রামে আদায় দেড়শ কোটি টাকা ২০২৪ সাল থেকে চট্টগ্রাম-জেদ্দা নৌরুটে হজযাত্রী বহন করবে ৩২ তলাবিশিষ্ট জাহাজ চট্টগ্রামে বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ২১ পরিবার পেল অনুদান গাজীপুর বাসের সাঁকো বানিয়ে আওয়ামীলীগ নেতার চাঁদাবাজি সোনারগাঁয়ে সনমান্দি ইউনিয়নের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভা ও ব্যাগ বিতরণ অনুষ্ঠান চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ ৫

চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস মাটিচাপা দেওয়া ১০ ট্রাক আমদানি নিষিদ্ধ পণ্য আটক করেছেন

  • আপডেট সময় : মঙ্গলবার, ৮ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৪ বার পঠিত

মাসুদ পারভেজঃ মাটিচাপা দেওয়া ১০ ট্রাক আমদানি নিষিদ্ধ মিট অ্যান্ড বোন মিল (এমবিএম) আটক করেছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। সোমবার (৭ নভেম্বর) দিনগত রাতে বন্দর থানাধীন আনন্দবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে এসব ট্রাক আটক করা হয়।রাতের আধারে এসব পণ্য মাটি খুঁড়ে চুরি করে বিক্রির উদ্দেশ্যে ট্রাকভর্তি করা হচ্ছিল। মূলত বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রতিবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ২০ ডিসেম্বর বাণিজ্য মন্ত্রণালয় শুকরের হাড়মিশ্রিত মিট অ্যান্ড বোন মিল বা এমবিএম আমদানি নিষিদ্ধ করে।

প্রাণীর খাবার অনুপযোগী প্রাণিজবর্জ্য ও হাড় দিয়ে তৈরি করা এমবিএম নামের পণ্যটি মাছ ও হাঁস-মুরগির খাবার হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু ২০১৮ সালে মিথ্যা ঘোষণায় আমদানিকৃত এসব পণ্য সম্প্রতি মাটিচাপা দিয়ে ধ্বংস করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক সংশ্লিষ্ট এক কাস্টমস কর্মকর্তা জানান, কিছুদিন আগে বিপুল পরিমাণ আমদানি নিষিদ্ধ এমবিএম আনন্দবাজার ল্যান্ডফিলে ডাম্প করেছিল কাস্টমস। কিন্তু একটি চক্র রাতের আঁধারে সেখান থেকে সেগুলো আবার সংগ্রহ করে পাচার করছে এমন খবর পেয়ে অভিযান চালানো হয়। এ সময় ১০টি ট্রাক জব্দ করা হয়েছে।

বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান মঙ্গলবার দুপুরে বলেন, ‘আমরা চুরির সংবাদ পেয়ে আনন্দবাজার এলাকা থেকে কিছু পণ্যভর্তি ১০টি ট্রাক আটক করেছিলাম। এগুলো কাস্টমসের ধ্বংসকৃত পণ্য বলে জানা গেছে। এসব ট্রাক এখন কাস্টমসের হেফাজতে রয়েছে। আমাদের লিখিত অভিযোগ দিলে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেবো।’

তবে এ বিষয়ে কাস্টমসের নিলাম শাখার ডেপুটি কমিশনার সন্তোষ সরেনকে বেশ কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেননি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১  ডেইলি টেলিগ্রাফ
Theme Customized By Theme Park BD