1. admin@dailyteligraf.com : admin :
রবিবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
পেট ব্যথা হলেও সিঙ্গাপুর যাওয়া এখন ফ্যাশন: ভূমিমন্ত্রী গাজীপুর টঙ্গী সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের আহবায়ক কমিটির অনুমোদন গাজীপুর পুবাইলে আওয়ামীলীগ থেকে থানা ছাত্রলীগের সভাপতি পদপ্রার্থী মিনহাজ জনসভায় আ.লীগ সরকারি সুযোগ-সুবিধা ব্যবহার করে না: হুইপ স্বপন আয়কর সেবা মাসে চট্টগ্রামে আদায় দেড়শ কোটি টাকা ২০২৪ সাল থেকে চট্টগ্রাম-জেদ্দা নৌরুটে হজযাত্রী বহন করবে ৩২ তলাবিশিষ্ট জাহাজ চট্টগ্রামে বন্য হাতির আক্রমণে ক্ষতিগ্রস্ত ২১ পরিবার পেল অনুদান গাজীপুর বাসের সাঁকো বানিয়ে আওয়ামীলীগ নেতার চাঁদাবাজি সোনারগাঁয়ে সনমান্দি ইউনিয়নের প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়ন শীর্ষক আলোচনা সভা ও ব্যাগ বিতরণ অনুষ্ঠান চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ ৫

চট্টগ্রাম চবি উপাচার্য-ডিন বিতণ্ডায় বেরিয়ে আসছে নানান অনিয়ম

  • আপডেট সময় : সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০২২
  • ২৭ বার পঠিত

মাসুদ পারভেজঃ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়: ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন। বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ দুর্নীতিতে জড়িত।শিক্ষক নিয়োগ থেকে শুরু করে সবকিছুতেই অনিয়ম হচ্ছে’।সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এমন বক্তব্যের জেরে গত ৪ নভেম্বর চবির ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. হেলাল উদ্দিন নিজামীর কাছে ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেয় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।চিঠিতে এ বক্তব্যের প্রমাণসহ ব্যাখ্যা চেয়ে তিনদিনের সময় দেওয়া হয়। পরবর্তীতে আরও সাতদিন সময় চেয়ে রেজিস্ট্রারকে পাল্টা চিঠি দেন অধ্যাপক মো. হেলাল উদ্দিন নিজামী৷ রোববার (২০ নভেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর ১৭ পৃষ্ঠার লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন চবির এ অধ্যাপক৷ এতে তিনি বক্তব্যের ব্যাখ্যার পাশাপাশি বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভিন্ন সময়ে ঘটে যাওয়া অন্তত ৪৫টি ইস্যু টেনে আনেন।

যার ফলে সমসাময়িক ধামাচাপা পড়ে যাওয়া নানান অনিয়মের বিষয়গুলো আবারও এসেছে আলোচনায়।অপরদিকে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অতিরিক্ত সময় নিয়েও আদতে কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি বলে দাবি চবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসানের।

তিনি আজকের বসুন্ধরা কে বলেন, প্রথমত তিনি উত্তর দেওয়ার জন্য ৩ দিনের জায়গায় ১০দিন সময় নিয়েছেন। এখন বলছেন তিনি প্রমাণ দিতে বাধ্য নন। বস্তুত তিনি কোনও প্রমাণ দিতে পারেননি। দুর্নীতির কোনও প্রমাণ নেই বলেই বিভিন্ন মীমাংসিত বিষয়ে প্রশ্ন তুলেছেন যার প্রমাণ প্রশাসনের হাতে আছে। অধ্যাপক হেলাল উদ্দিন নিজামী মূলত স্ববিরোধী বক্তব্যই দিয়েছেন।চবি রেজিস্ট্রার বরাবর দেওয়া সেই ব্যাখ্যার দুটি কপি বাংলানিউজের হাতে এসেছে৷ এতে অধ্যাপক হেলাল নিজামী প্রথমে উল্লেখ করেন, পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে বিবৃতি প্রদানের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন সিনিয়র অধ্যাপক ও একটি অনুষদের ডিনকে উপাচার্য কর্তৃক ব্যাখ্যা তলবের নামে নোটিশ প্রদান কার্যত আইনগত কর্তৃত্ব বহির্ভূত৷

তিনি বলেন, নোটিশে যিনি (উপাচার্য) অভিযোগকারী; তিনিই বিচারক। কাজেই তাঁর কর্তৃত্ব এক্ষেত্রে সীমিত। এটি অজ্ঞতাপ্রসূত ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণে ব্যর্থতা বলে প্রতীয়মান হয়৷ আমি প্রশাসনকে দুর্নীতিগ্রস্ত বলছি, এটার জন্য আমার কাছে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে। প্রথমত এটার ব্যাখ্যা দিতে আমি বাধ্য নই। আর তারা দুর্নীতি করছে না সেটা প্রমাণ করার দায়িত্ব তাদের ওপর বর্তায়৷ চিঠিতে তিনি নিজের বক্তব্যের আলোকে কিছু ব্যাখ্যা ও প্রমাণ তুলে ধরেন৷ তিনি ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য শিরীণ আখতার আইনের শাসনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল নন’ বক্তব্যের ব্যাখায় ৯টি পয়েন্ট উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের তিন বছরের মধ্যে তিনি সিনেটে রেজিষ্ট্রার গ্রাজুয়েট প্রতিনিধি নির্বাচন, সিনেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন ও সিন্ডিকেটে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন দিতে পারেননি। আইনের শাসনে বিশ্বাসী কেউ এমনটা করতে পারেন না। বক্তব্যের বাকি দুটি বাক্যের ব্যাখ্যাও দেন তিনি৷ এর আগে গত ৩ নভেম্বর চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার ডিনদের নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন ও সমাবর্তন নিয়ে বৈঠকে বসেন। আলোচনার এক পর্যায়ে ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. হেলাল উদ্দিন নিজামী সিন্ডিকেট নির্বাচন নিয়ে কথা তুলেন৷ এ নিয়ে উপাচার্যের সঙ্গে অধ্যাপক হেলাল নিজামীর বাকবিতণ্ডা হয়। পরদিন বৈঠকে বাকবিতণ্ডাকে কেন্দ্র করে গণমাধ্যমে বক্তব্যের প্রমাণসহ ব্যাখ্যা চেয়ে চিঠি দেওয়া হয় হেলাল নিজামীকে। এরপর গত ১০ নভেম্বর আরও সাত কর্মদিবস সময় চেয়ে পাল্টা চিঠি দেন হেলাল নিজামী।

চবির ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এসএম মনিরুল হাসান বলেন, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন ফারসি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের ব্যাপারে কথা বলেছেন। অথচ ফারসি বিভাগের নিয়োগ বাতিল করা হয়েছে। অজ্ঞাত কারণে শাস্তি প্রদান সংক্রান্ত কমিটি চার মাস হলেও কোনও শাস্তি প্রদানের রিপোর্ট দেননি। এছাড়া উপাচার্যের বাংলোর ব্যাপারে ইউজিসি’র পরামর্শক্রমে একটি টেকনিক্যাল কমিটি গঠন করা হয়েছিল। এখানে পিডব্লিউডি ও উপজেলা প্রকৌশলীও ছিল। বাংলোটি তারা ঝুঁকিপূর্ণ বলে ঘোষণা করেছেন। রিপোর্টটি ইতিমধ্যে ইউজিসিতে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় উপাচার্যের সম্মানী সম্পর্কে তিনি যা বলেছেন, তা মনগড়া।তিনি আরও বলেন, বিনা অনুমতিতে গোপন অডিও রেকর্ড করা যেহেতু শাস্তিযোগ্য অপরাধ, তাই ডিনদের মিটিংয়ে বিনা অনুমতিতে গোপনে অডিও রেকর্ডের বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভিন্ন মিমাংসিত বিষয় নিয়ে এসেছেন হেলাল নিজামী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এ জাতীয় আরও খবর
© স্বত্ব সংরক্ষিত © ২০২১  ডেইলি টেলিগ্রাফ
Theme Customized By Theme Park BD